[b]ব্রাসেলস:[/b] ইউরোপের দেশগুলোতে দুর্নীতি উদ্বেগজনক মাত্রায় বেড়ে চলেছে৷ এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে প্রতি বছরে ব্যয় করতে হচ্ছে প্রায় ১২ হাজার কোটি ইউরো৷ সোমবার এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। খবর ডয়েচে ভেলের।
প্রতি ১০ জনের ৮ জনই মনে করেন, ব্যবসা ও রাজনীতির সাথে যাদের যোগাযোগ রয়েছে তারা দুর্নীতিগ্রস্ত।
প্রদীপের নীচেই অন্ধকার – একথাটা প্রায়ই শোনা যায়৷ এবার সেটাই দেখা গেল ইউরোপের দুর্নীতির চিত্রে৷ ধারণা করা হতো একমাত্র বাংলাদেশ, ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতেই দুর্নীতির চিত্রটা ভয়াবহ, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোতেও দুর্নীতি কিছু কম নয়৷ ইউরোপীয় কমিশনের প্রকাশিত প্রতিবেদন কিন্তু সে কথাই বলছে৷ গ্রিস, স্পেন আর ইটালিতে দুর্নীতি বেড়েছে ব্যাপক হারে৷ প্রতিবেদন প্রকাশের অল্প কিছুক্ষণ আগে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে রোমানিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী আদ্রিয়ান নাসটাসেকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত৷
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, ইইউ-র স্বরাষ্ট্রবিষয়ক কমিশনার সেসিলিয়া মাল্মস্ট্রম ইউরোপের দুর্নীতির সমস্যা নিয়ে একটি পূর্ণ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছেন৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮টি সদস্য রাষ্ট্র থেকে প্রায় দু'বছর ধরে তথ্য সংগ্রহ করার পর, প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে৷ কমিশন বলছে, এবারই প্রথম তারা সদস্য দেশগুলোর ওপর এমন একটা জরিপ চালায়৷ জরিপে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের তিন-চতুর্থাংশের মত যে, দুর্নীতি ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে৷
ইউরোপের ১০ জন মানুষের মধ্যে ৮ জনই মনে করেন যে, ব্যবসা এবং রাজনীতির সাথে যাদের যোগাযোগ রয়েছে তারা দুর্নীতিগ্রস্ত৷ আর ৭৬ ভাগ ইউরোপীয় মনে করেন, তাদের দেশে দুর্নীতি হয়৷ কিন্তু গ্রিস আর ইটালির ৯৯ ভাগ মানুষই মনে করেন ইউরোপের কোনো দেশই দুর্নীতির বাইরে নয়৷
কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের এক হাজার ১১৫ জন মানুষের মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ বলেছেন যে, তাদের ঘুস দিতে হয়েছে৷ ইউরোপের কোনো কোনো দেশে চিকিৎসা সেবা নিতে গেলে রোগীদেরও ঘুষ দিতে হয় বলে জানান মাল্মস্ট্রম৷ তবে জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬৪ শতাংশ ব্রিটিশ বলেছেন, তারা মনে করেন যুক্তরাজ্যেও দুর্নীতি ব্যাপক মাত্রায় ছড়াবে৷
মাল্মস্ট্রম বলেছেন, দুর্নীতির কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে৷ উত্তরদাতাদের মধ্যে তিন-চতুর্থাংশ মনে করছেন দুর্নীতি তাদের দেশের মূল সমস্যা৷ জরিপে প্রতি ১০ জন ব্যবসায়ীর মধ্যে চারজনই মনে করেন দুর্নীতির কারণে তারা ভালোভাবে ব্যবসা করতে পারছেন না৷
মাল্মস্ট্রম বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত দেশগুলির অর্থনীতি এবং রাজনীতির ওপর এই দুর্নীতির সংস্কৃতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ছে৷ এ সব দুর্নীতির ফলে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের শক্তিও বৃদ্ধি ঘটছে৷
কিন্তু ইউরোপের বহু দেশেই এই সমস্যা দূর করার প্রশ্নে রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব রয়েছে বলে সেসিলিয়া মনে করছেন৷ এই পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইউরোপে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে সুইডেন অন্যতম৷ তাই সুইডেন কিভাবে দুর্নীতির সমস্যা মোকাবিলা করে তা দেখে ইইউভুক্ত অন্যান্য দেশগুলোর শেখা উচিত বলে জানান তিনি৷
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) দুর্নীতি সূচকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে গ্রিস৷ টিআই-এর একই জরিপে ৮০তম অবস্থানে আছে দেশটি৷ গ্রিসের এ অবনতির জন্য বিশেষজ্ঞরা দেশটির চলমান অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সংকটকে দায়ী করেছেন৷ টিআই জরিপে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ডেনমার্ক। সূত্র: ডয়চে ভেলে
ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএমএ
ইউরোপজুড়ে দুর্নীতি বেড়েছে ব্যাপকহারে
ব্রাসেলস: ইউরোপের দেশগুলোতে দুর্নীতি উদ্বেগজনক মাত্রায় বেড়ে চলেছে৷ এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে প্রতি বছরে ব্যয় করতে হচ্ছে প্রায় ১২ হাজার কোটি ইউরো৷ সোমবার এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। খবর ডয়েচে ভেলের।
দেশের অগ্রগতি ও উন্নতির প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি
নেত্রকোণায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন ও জেলা আমির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নেত্রকোণা পাবলিক হল ও জেলা প্রেসক্লাবের সম্মেলনকক্ষে পুরুষ ও মহিলা রুকনদের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচনী কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জামায়াতের
সারা দেশে তীব্র সারের সংকট এবং সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দুর্নীতি মামলায় আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তিনি সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে আলোচিত সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে।
`অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে দুর্নীতি ও নোট বাণিজ্য বরদাশত হবে না’
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নোট বাণিজ্য, দুর্নীতি ও অনৈতিক সিন্ডিকেটের কোনো জায়গা থাকবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেছেন, ‘যতদিন আমি এই কার্যালয়ে আছি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে কোনো ধরনের দুর্নীতির জায়গা থাকবে না।’ আইন কর্মকর্তাদের পেশাগত নৈতিকতা, স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা জোরদারে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।
















