তুরস্কে ইন্টারনেটের উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়াবে, এমন একটি আইনের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। এ সময় ইস্তামবুলে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
বিক্ষোভকারীদের ইটপাটকেলের জবাবে পুলিশ টিয়ারগ্যাস আর জলকামান ব্যবহার করেছে। নতুন এই আইন কার্যকর হলে দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা আদালতের নির্দেশনা ছাড়াই যেকোনো ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিতে পারবে।
সম্পর্কিত বিষয়
নতুন আইনটির প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ মিছিল নিয়ে ইস্তামবুলের তাকসিম স্কয়ারে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। আর তখনি ব্যাপক সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল মারতে শুরু করে। পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস আর জলকামান দিয়ে পানি নিক্ষেপ করে।[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391915036.jpg[/img]
গতবছর এই তাকসিম স্কয়ারেই ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। এ কারণে তাকসিম স্কয়ারের চারদিকে ছিল কড়া পুলিশি পাহারা।
ঘটনাস্থল থেকে বিবিসির সংবাদদাতা জেমস রেনল্ডস বলছেন, হাজার হাজার জনতা ইস্তামবুলের তাকসিম স্কয়ারের সামনের রাস্তায় মিছিল করছে। তাদের সরিয়ে দিতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছুড়ছে এবং জলকামান ব্যবহার করছে। তবে তা সত্ত্বেও বিপুল বিক্ষোভকারী রাস্তায় অবস্থান করছেন।
গত সপ্তাহে তুরস্কের পার্লামেন্ট প্রস্তাবিত নতুন আইনটি অনুমোদন করেছে।
এখন প্রেসিডেন্ট সাক্ষর করার পরই আইনটি কার্যকর হবে। এতে সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে যে, আক্রমণাত্মক বা উস্কানিমুলক বলে সন্দেহ করলে, আদালতের নির্দেশনা ছাড়াই তারা যেকোনো ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিতে পারবে।
এছাড়া ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের গ্রাহকদের তথ্য দুইবছর পর্যন্ত সংরক্ষণ এবং কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করতে বাধ্য হবে।
বিরোধীরা অভিযোগ করছে, নিজেদের দুর্নীতি ঢাকতেই সরকার এই আইন জারির চেষ্টা করছে। তবে সরকার দাবি করছে, এই আইন ইন্টারনেটকে আরও নিরাপদ আর স্বাধীন করবে।
গতবছর তুরস্কে যে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছিল, তখন ফেসবুক আর টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হয়।
গত ডিসেম্বরে সরকারের কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তির দুর্নীতির তথ্য ইন্টারনেটে ফাঁস হওয়ার পর থেকে সরকার এক্ষেত্রে আরও কড়াকড়ি আরোপের পরিকল্পনা শুরু করে। সূত্র: বিবিসি।
[b]ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম)//ইএইচ[/b]
ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে তুরস্কে ব্যাপক বিক্ষোভ
তুরস্কে ইন্টারনেটের উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়াবে, এমন একটি আইনের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। এ সময় ইস্তামবুলে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। বিক্ষোভকারীদের ইটপাটকেলের জবাবে পুলিশ টিয়ারগ্যাস আর জলকামান ব্যবহার করেছে।
শপথ পেছানোর চক্রান্ত ইসরাইলে আরব ভোট বাড়াতে কাতার-তুরস্কের অর্থায়নের অভিযোগ
ইসরাইলের নির্বাচনে আরব জনগোষ্ঠীর ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে কাতার ও তুরস্কসহ বিদেশি পক্ষগুলো অর্থ জুগিয়েছে কি না, তা তদন্ত করছে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত। নির্বাচনে বিদেশি অর্থায়ন ও হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গ।
পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সঙ্গে ইরানের বৈঠক শুরু
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ জোটের তিন সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন।
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমিত করা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ‘মক্কা জোটের’ তিন সদস্য- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান।
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক-লিবিয়া চুক্তি, ক্ষুব্ধ ইসরাইল
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক ও লিবিয়ার মধ্যে সামুদ্রিক সীমা নির্ধারণসংক্রান্ত চুক্তি অনুমোদনের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। লিবিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের এ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইল। অন্যদিকে, চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়েছে তুরস্ক। গ্রিস, সাইপ্রাস ও মিসরও এর বিরোধিতা করেছে।
তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে চুক্তি সই করেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। দেশগুলোর মধ্যে সামরিক মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার পথ আরও সুগম করাই এ চুক্তির লক্ষ্য।
















