দুই দশক আগে শেষ হওয়া যুদ্ধের পর এই প্রথমবারের মতো এতো বড় আকারের অস্থিতিশীলতার কবলে পড়ল বসনিয়া-হার্জেগোভিনা।
আর সরকার বিরোধী সেই অস্থিরতার আগুনে পুড়ছে অসংখ্য সরকারি ভবন আর নানা স্থাপনা।
এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ এই বিক্ষোভ সামলাতে বসনিয়ার পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে।
মূলত কঠিন অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বেকারত্বের প্রেক্ষাপটে জ্বলে ওঠা বিক্ষোভে আর হামলায় গত তিনদিনে শত শত মানুষ আহত হয়েছে।
শুধু রাজধানী সারায়েভো নয়, বিক্ষোভের আগুণ ছড়িয়ে পড়েছে তুজলা, মোস্তার ও জেনিচা শহরেও। উত্তরের শহর তুজলায় বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় সরকারের ভবনগুলোতে আগুন দিয়েছে। তাদের বিক্ষোভের মুখে হতভম্ব হয়ে পড়ে সেখানকার পুলিশ।এই সপ্তাহের শুরুর দিকে তুজলায় বিক্ষোভ শুরু হয়।[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391829912.jpg[/img]
মূলত স্থানীয় জনসাধারণের বড় কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত বিভিন্ন কারখানা বিক্রি ও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এখানকার মানুষ। সেই বিক্ষোভ বেশ দ্রুতই অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করছে বিক্ষোভকারীরা।
সারায়েভোতে বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে।[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391837113.jpg[/img]
বেলগ্রেড থেকে বিবিসির গাই দেলওনি বলছেন যে হতাশা দীর্ঘসময় ধরে জমছিল হঠাৎ করেই তার বিস্ফোরণ ঘটেছে এখানে।
১৯৯২ থেকে ৯৫ পর্যন্ত যে যুদ্ধ এখানে হয়েছিল তারপর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখ সরে গিয়েছিল বসনিয়ার ওপর থেকে। একই সাথে সাধারণ মানুষের চাহিদাগুলোর দিক থেকে সরকারের চোখও সরে যায়।
এখানকার প্রশাসনে সাম্প্রদায়িক বিভক্তি বেশ প্রকট এবং অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বেশ চরমে।
দেশটির আর্থিক অবস্থা এমনই খারাপ যে প্রতি দশজনে চারজন এখানে বেকার।
বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় দুটি অংশ যার একদিকে রয়েছে বসনীয়-ক্রোয়াট ফেডারেশন অফ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, এবং অন্যদিকে রয়েছে বসনীয় সার্ব রিপাবলিক বা রিপাবলিকা স্রস্পকা।
দুই অংশের আলাদা প্রেসিডেন্ট, সরকার, সংসদ, পুলিশ এবং পৃথক কর্তৃপক্ষ রয়েছে।
বেশ জটিল প্রশাসনিক কাঠামো এবং তীব্র বিভেদ একদিকে রাজনৈতিক অচলাবস্থার জন্ম দিয়েছে, আর অপরদিকে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্নীতির মুখে ফেলেছে। সূত্র: বিবিসি
[b]ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম)//ইএইচ[/b]
বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় ব্যাপক বিক্ষোভ
এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ এই বিক্ষোভ সামলাতে বসনিয়ার পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে। মূলত কঠিন অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বেকারত্বের প্রেক্ষাপটে জ্বলে ওঠা বিক্ষোভে আর হামলায় গত তিনদিনে শত শত মানুষ আহত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক,সাবেক এমপি-মন্ত্রীরাও জড়িত
পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভকে ঘিরে অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এতে জড়িত বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর গাজীপুরে ফের শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ
নুন্যতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চতুর্থ দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় তারা অর্ধশতাধিক যানবাহন ও দোকানপাট ভাঙচুর করেন। পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা শ্রমিকদের ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ার ১৭৭ পোশাক কারখানায় ছুটি
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে সাভার ও আশুলিয়ার অন্তত ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকেরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকটি স্থানে সড়কে অবস্থান নেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।
শ্রমিক বিক্ষোভে গাজীপুর-সাভারের ৮০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ কয়েকটি দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে গাজীপুর ও সাভারের অন্তত ৮০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে বন্ধ মেট্রোরেলের ৫ স্টেশন
ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেলের পাঁচটি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর-১০ এলাকায় সংঘর্ষের পর মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, পল্লবী, শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।















