মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে ইসলামী চিন্তাবিদ ও জাতীয় নেতাদেরকে বিচারিক হত্যার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সামাজিক সংগঠন কেয়ার বাংলাদেশ।
রোববার বেলা ৩টায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনীর লাকেম্বাস্থ রেলওয়ে বুলেভার্ডে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নগরিকরা অংশ নেন।
বাংলাদেশ সরকারের প্রতি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বক্তারা বলেন, ট্রাইবুনালের নামে অন্যায় বিচার ও হত্যার এ ধারা অব্যাহত থাকলে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে। তারা এ সময় আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
কামাল মাহমুদের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রবাসী মিশরীয়দের সংগঠন রাবিয়া অষ্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে মোহাম্মেদ সাফওয়াত এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন কেয়ার বাংলাদেশ অষ্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিঃ সাইফুল্লাহ খালিদ।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, ডঃ রাশেদ রশিদ, ওলি আহমেদ, লুৎফুল কবির, জাফর আহমেদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ সোহেল, জাকির শিকদার, আলতাফ হোসেন, আলমগীর হোসেন, তোরাব আহমেদ, নূর মোহাম্মদ মিলন, মাহবুব আলম, ইমরান হোসেন, আনোয়ার হোসেন, শাহ জামাল খান, এহসান মজিদ, সাইদুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিশরীয় ব্রাদার সাফওয়াত তাদের দেশেও অবৈধ বিচারের মাধ্যমে মুসলিম ব্রাদারহুডের অসংখ্য নেতা,কর্মীর ফাঁসীর আদেশের কথা উল্ল্যেখ করেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের সকল দেশের আলেম ওলামাদের হত্যার সাদৃশ্যই প্রমাণ করে এগুলো কোন দেশ, দল বা ব্যক্তি নয় বরং এগুলো ইসলামকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র। তিনি সমস্ত মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের বিষয়ে তাগাদা দেন।
ইঞ্জিঃ সাইফুল্লাহ খালিদ বলেন, আপীল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে সরকার যে কোন সময় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী ব্যাক্তিত্ব আল্লামা দেলাওয়ার সাঈদীর বিরুদ্ধে রায় দিতে যাচ্ছে। বিগত কয়েক বছরের স্কাইপ কেলেংকারী, স্বাক্ষী গুম, সরকার দলীয় লোকজন কতৃক তদন্ত পরিচালনা, সরকারী মদদে শাহবাগ আন্দোলন পরিচালনা ইত্যাদি ঘটনায় পরিস্কারভাবে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে এই বিচার কার্যক্রম সম্পূর্ণ সাজানো এবং অন্যায়।
সরকারের একজন মন্ত্রী এরমধ্যে মাওলানা সাঈদীর বিচারের রায় সম্পর্কে আগাম মন্তব্য করেছে। ইতিমধ্যেই সরকার অন্যায়ভাবে একজন নিরপরাধ ও সৎ রাজনীতিবিদ আবদুল কাদের মোল্লাকে হত্যা করেছে। এই রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ডের সাথে যারাই জড়িত, তাদের যথাযথ বিচার একদিন অবশ্যই হবে। বর্তমান অবৈধ সরকার এভাবে একটার পর একটা হত্যাকান্ড চালিয়ে পার পেয়ে যেতে পারে না।
[b]ঢাকা, ২৭ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর
[/b]
বিচার বিভাগীয় হত্যার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে প্রবাসে বিক্ষোভ
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে ইসলামী চিন্তাবিদ ও জাতীয় নেতাদেরকে বিচারিক হত্যার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রবাসীরা। অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে অনুষ্ঠিত ওই বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নগরিকরা অংশ নেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক,সাবেক এমপি-মন্ত্রীরাও জড়িত
পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভকে ঘিরে অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এতে জড়িত বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর গাজীপুরে ফের শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ
নুন্যতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চতুর্থ দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় তারা অর্ধশতাধিক যানবাহন ও দোকানপাট ভাঙচুর করেন। পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা শ্রমিকদের ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ার ১৭৭ পোশাক কারখানায় ছুটি
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে সাভার ও আশুলিয়ার অন্তত ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকেরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকটি স্থানে সড়কে অবস্থান নেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।
শ্রমিক বিক্ষোভে গাজীপুর-সাভারের ৮০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ কয়েকটি দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে গাজীপুর ও সাভারের অন্তত ৮০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে বন্ধ মেট্রোরেলের ৫ স্টেশন
ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেলের পাঁচটি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর-১০ এলাকায় সংঘর্ষের পর মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, পল্লবী, শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।















