ভারতে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ- লোকসভার নির্বাচন শুরু হয়েছে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পার্লামেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস এবং উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি’র মধ্যে।
বিজেপি গুজরাটের বিতর্কিত মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এবং কংগ্রেস বিখ্যাত গান্ধী পরিবারের তরুণ সদস্য রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করেছে; যদিও এ দুই প্রার্থীকে জনগণ সরাসরি প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ভোট দেবে না। কাজেই প্রধানমন্ত্রী পদে ৬৩ বছর বয়সী চিরকুমার নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে লড়ছেন এখনো অবিবাহিত ৪৩ বছর বয়সী রাহুল গান্ধী। এ কারণ বলা হচ্ছে, এবার কোনো বিবাহিত প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে না ভারতের জনগণ। ২০০২ সালে গুজরাটের ভয়াবহ মুসলিম বিরোধী দাঙ্গায় নরেন্দ্র মোদীর হাত ছিল ব্যাপকভাবে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে এখনো রাষ্ট্রীয় কোনো ক্ষমতা হাতে না থাকায় রাহুলের নামে বড় ধরনের কোনো কেলেঙ্কারি নেই।
আজ ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে নয়-পর্বে লোকসভা নির্বাচন চলবে ১২ মে পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ৮০ কোটির বেশি। নির্বাচন নয় পর্বে অনুষ্ঠিত হলেও সব পর্বের ভোট শেষ হওয়ার আগে ভোট গণনা বা ফলাফল ঘোষিত হবে না। ১৬ মে ভোট গণনার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিরুদ্ধেই ক্ষমতায় থাকার সময় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন দেখতে চায়। এ বিষয়টিকে মাথায় রেখে সাবেক আয়কর কর্মকর্তা অরবিন্দ কেজরিওয়াল ২০১২ সালে দুর্নীতি-বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছিলেন এবং একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে তিনিও এ নির্বাচনে লড়ছেন। কয়েকমাস আগে কেজরিওয়ালের আম-আদমি পার্টি (আপ) দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সেখানে সরকার গঠন করে ভারতজুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু অল্প কিছুদিনের মাথায় তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এ তিন দলের বাইরে বেশ কিছু শক্তিশালী আঞ্চলিক দল এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। লোকসভায় কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে এসব আঞ্চলিক দল সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে। যেকোনো দল বা জোটের সরকার গঠনের জন্য ৫৪৩ আসনবিশিষ্ট লোকসভায় অন্তত ২৭২টি আসন হাতে থাকতে হবে। সূত্র: আইআরআইবি
[b]ঢাকা, ০৭ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]
দুই চিরকুমারের লড়াই শুরু
ভারতে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ- লোকসভার নির্বাচন শুরু হয়েছে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পার্লামেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস এবং উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি’র মধ্যে।
‘বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে’ নেহা বোরার মন্তব্যে উত্তপ্ত ভারতের রাজনীতি
বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ভারতীয় তরুণদের পথ দেখিয়েছে—অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরার এমন মন্তব্য ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ওপর ক্ষোপ প্রকাশ করেছে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
রাহুল গান্ধী মোদি সরকারের পতন অনিবার্য
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও বর্তমান নরেন্দ্র মোদি সরকারের অচিরেই ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
উত্তাল দিল্লি, রাহুল গান্ধী ও কয়েকজন এমপি আটক
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফের উত্তাল হয়েছে দিল্লির যন্তর মন্তর সংলগ্ন এলাকা। মঙ্গলবারের ধারাবাহিকতায় বুধবারও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে দিল্লির রাজপথে নেমেছিলেন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র এমপিরা। তবে যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর আগেই মাঝপথে তাদের বাস আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রাহুল গান্ধীর বার্তা ‘জ্ঞানেশ কুমার, তোমার খেলা শেষ’
নির্বাচন কমিশনের সামনের রাস্তা থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বার্তা দিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো’ অর্থাৎ, জ্ঞানেশ, তোমার খেলা শেষ। এই স্লোগানটি মূলত ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে তুলেছিলেন মুম্বাইতে বিক্ষোভ প্রদর্শনের আগে। এই স্লোগানটি সম্প্রতি ছাত্র ও যুব প্রতিবাদীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী ধর্ষকদের রক্ষক: রাহুল গান্ধী
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রহ্লাদ জোশিকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এমন একজনকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছে, যিনি অতীতে ধর্ষকদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
















