ক্রাইমিয়ার সংসদে ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা আসার পরপরই রাশিয়া ও ইউক্রেনের বেশ কজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
এসব রাজনীতিক এবং কর্মকর্তার ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একইসাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে তাদের সম্পদ জব্দ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা যে এগারোজন কর্মকর্তার সম্পদ জব্দের ঘোষণা দিয়েছেন তাদের তালিকায় রয়েছেন রুশ একজন উপ-প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি রোগোজিন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের ঘনিষ্ঠ এক সহযোগী, ক্রাইমিয়ার নতুন রুশপন্থি নেতা সের্গেই আকসিয়োনভ এবং ইউক্রেনের ক্ষমতাচ্যুত নেতা ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ।
অন্যদিকে ব্রাসেলসে সোমবার ইইউ পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের এক বৈঠকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার ২১জন রাজনীতিক ও কর্মকর্তার ওপর ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদ জব্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এসব কর্মকর্তার নাম বা পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে মঙ্গলবার নাগাদ তা জানা যেতে পারে। এ সপ্তাহের শেষ দিকে ইইউ এর আরেকটি বৈঠকে আরো কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হতে পারে।
ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন অধিকতর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য তিনি প্রস্তুত, তবে তা নির্ভর করবে উত্তেজনা প্রশমনে রাশিয়া কি করে তার ওপর।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ সূত্রে বলা হয়েছে, তাদের নিষেধাজ্ঞায় এমন সব ব্যাক্তিকে টার্গেট করা হয়েছে যারা ইউক্রেনের গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন।
এসব নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে রাশিয়ার কাছ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তবে রুশ উপ-প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি রোগোজিন মজা করে তার ট্যুইটার সাইটে লিখেছেন, "কমরেড ওবামা, বিদেশে যাদের কোন সম্পদ নেই, তাদের ব্যাপারে আপনি কি করবেন?"
ফেব্রুয়ারিতে মস্কোপন্থি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাচ্যুতির পর ইউক্রেনের জাতিগত রুশ অধ্যুষিত এই অঞ্চলটি কার্যত রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে।
পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র আপত্তি এবং হুমকি সত্ত্বেও মস্কোর সরাসরি সমর্থনে রোববার ক্রাইমিয়াতে এই গণভোট হয়। ধারণা করা হয়, ভোটাররা রাশিয়ার সাথে যুক্ত হওয়ার পক্ষেই রায় দিয়েছে।
গণভোটের পরদিনই সোমবার ক্রাইমিয়ার সংসদে স্বাধীনতা ঘোষণা দেওয়া হয়। একই সাথে, রাশিয়ার সাথে যুক্ত হওয়ার জন্যেও সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করা হয়েছে।
গণভোটের ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছে রাশিয়া এবং ক্রাইমিয়াকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রতি আহবান জানিয়েছে তারা। সূত্র: বিবিসি বাংলা
[b]ঢাকা, ১৮ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // টিআই[/b]
রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা
ক্রাইমিয়ার সংসদে ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা আসার পরপরই রাশিয়া ও ইউক্রেনের বেশ কজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
ইরানে নতুন হামলার তারিখ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার সম্ভাবনা সামনে রেখে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৪ নভেম্বর, অর্থাৎ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরদিন ইরানে স্বল্পস্থায়ী কিন্তু তীব্র হামলা চালানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন উপসাগরীয় অঞ্চলের তিনজন জ্যেষ্ঠ আরব কর্মকর্তা। তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন?
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, যেখানে ভোটাররা এমন এক ভোটে অংশ নেবেন- যা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ইরানের শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নয়: গালিবাফ
ইরানের দেওয়া সাতটি শর্ত মেনে না নিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা এগোবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের চাপ কিংবা প্রলোভনে তেহরান নতি স্বীকার করবে না। আলোচনায় অগ্রগতির জন্য ইরানের শর্তগুলো মেনে নেওয়াই একমাত্র পথ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের আহ্বান ইরানের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসন’ মোকাবিলা এবং মধ্যপ্রাচ্যকে বিভক্ত করার প্রচেষ্টা ঠেকাতে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ইস্যুতে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা
কোনো মামলায় গ্রেফতার হলে মার্কিন ভিসা হারানোর বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়ার মতো ঘটনায় কারো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিল হয়ে যেতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং পরবর্তীতে ভবিষ্যতে দেশটির ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে চিরতরে অযোগ্য ঘোষণা করার পথও তৈরি হতে পারে।














