শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় তুলে ধরা হবে। এ বিষয়টি সামনে রেখে সম্মেলনের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘উন্নয়ন অভিযাত্রায় দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’।

এবারের স্লোগান প্রসঙ্গে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ একটি স্মার্ট দল। আওয়ামী লীগই ভাবে— জাতিকে এগিয়ে নিতে হলে কী করতে হবে? আওয়ামী লীগের হাত ধরে যেভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে, সেভাবে স্মার্ট বাংলাদেশও হবে।

এদিকে, আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়। শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সমাবেশস্থল পৃথকভাবে পরিদর্শক করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক।

এবারের আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন সফল করতে ১১টি উপকমিটি কাজ করছে। কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীরা রাতদিন পরিশ্রম করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলন কেন্দ্রের মূলমঞ্চে প্রথম সারিতে আসন গ্রহণ করবেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দ্বিতীয়টি সারিতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র নেতা ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা বসবেন। এ ছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ সারিতে বসবেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে সম্মেলন শুরু হবে। এরপর আধঘণ্টার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শেষে দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। এরপর প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এতে স্বাগত বক্তব্য দেবেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সভাপতি শেখ হাসিনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তি ঘটবে।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কৃচ্ছতা সাধন করতে এ সম্মেলনে বিদেশিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে দেশের ১৪ দলীয় জোট, জাতীয় পার্টিসহ নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এন