হেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত আটটার সময় দোকানপাট এবং বিপনিবিতান বন্ধে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তাকে সাধুবাদ জানাই। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে সড়কে যানজট কমবে। অনেকাংশে জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। আজ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত এক বৈঠক হয়েছে। দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হিসেবে আমি এই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলাম। বৈঠকে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে দুটি দাবি জানিয়েছি।
তিনি বলেন, এর মধ্যে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১-১০ জুলাই সকাল নয়টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবি জানিয়েছি। কারণ ঈদের সময় সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হয়। এ সুযোগটা দিলে ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। যেমন গত দুই বছর করোনার সময় হয়েছিলেন।
ঈদের পর যানজট নিরসন ও জ্বালানি সাশ্রয়ে দুপুর ১২টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবি জানিয়ে হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশে একই সময়ে অফিস-আদালত এবং বিপণিবিতানগুলো খোলা হয়। আবার একই সময়ে সবাই দোকানপাট ও অফিস আদালত বন্ধ করে। ফলে রাস্তাঘাটে যানবাহনের চাপ বাড়ে। যানজটে আটকে জ্বালানি অপচয় হয়। তাই বিপণিবিতান এবং দোকানপাট খোলা এবং বন্ধের ভিন্ন সময় নির্ধারণ করা জরুরি।
তিনি বলেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন নগরে অসংখ্য ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রয়েছেন। এসব দোকান রাত ১০ পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানাই।
এমআই





