যমুনা গ্রুপের ‘দখল’ থেকে নিজেদের বসতভিটা উদ্ধারে সমাজের পিছিয়ে পড়া এই জনগোষ্ঠী আবারো প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠেছে।
সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ ও মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচি থেকে বসতভিটা ফেরতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে তারা।
এসময় দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের হাতে ছিল ‘কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই’, ‘কালিয়াকৈর পেপসিগেটের আরো ৪৫টি অন্ধ পরিবারকে যমুনার বাবুলের সন্ত্রাসী হাজী ওসমানের নির্যাতনের কবল থেকে রক্ষা করুন’ লেখা ব্যানার।
গাজীপুর সমাজকল্যাণ ও অন্ধ পুনর্বাসন সোসাইটি প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করে।
সংগঠনটির সভাপতি সাহাজুদ্দিন বলেন, ‘গাজীপুরের সফিপুরে বন বিভাগের ১৪ বিঘা জমি নিয়ে অন্ধেরটেক পল্লী গড়ে তুলেছিলাম। সেখানে বসতি তুলেছিল শতাধিক অন্ধ পরিবার। নাম দেয়া হয়েছিল অন্ধেরটেক।’
তিনি বলেন, ‘২০০২ সালে অন্ধেরটেক জোর পূর্বক দখল করে নেয় যমুনা গ্রুপের বাবুল। বাবুলের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা অন্ধদের বাড়ি ঘর ভেঙে দেয়। সেখান গড়ে তোলে মদের (হান্টার) কারখানা। ওই সময় প্রতিবাদ করতে গিয়ে গুপ্ত হত্যার শিকার হন সেলিম, বারেকসহ তিন জন প্রতিবন্ধী।’
‘অন্ধের টেক’ গঠন প্রসঙ্গে জানান, আমরা অন্ধকল্যাণ সমিতি গঠন করেছিলাম ১৯৮৫ সালে। সমিতিটি সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। বাড়ি করার জন্য জমি চাইলে তৎকালীন জেলা প্রশাসক আমাদেক ওই জায়গাটি দিয়েছিলেন। সেখানে আমরা দীর্ঘ ১৫ বছর বাড়ি করে ছিলাম। কিন্তু বাবুলের সন্ত্রাসীরা আমাদের উচ্ছেদ করেছে। একই তথ্য দেন প্রতিবন্ধী আব্বাস উদ্দিন।
খুলনা জেলার খালিশপুরের বাসিন্দা আব্দুর রহমান রাজু ও জীবিকার তাগিদে গাজীপুরে এসেছিলেন। তিল তিল করে টাকা জমিয়ে অন্ধেরটেক পল্লীতে ঘর তুলেছিলেন। কিন্তু তারও ঘরটি ভেঙে দিয়েছে বাবুলের সন্ত্রাসীরা।
আব্দুর রহমান রাজু জানান, ঘর হারিয়ে এখন থাকেন কেরানীগঞ্জে। জীবন চলে ভিক্ষাবৃত্তি করে। জন্মান্ধ মোসলেম তালুকদারও ঘর তুলেছিলেন অন্ধের টেকে। এ রকম শতাধিক পবিবার ঠাঁই করে নিয়েছিলেন যার কারণে নাম হয়েছিলো ‘অন্ধের টেক’। কিন্তু বাবুলের থাবায় সব ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সবকিছু হারিয়ে পথের ভিখারী হয়েছেন তারা।
[b]ঢাকা, ১০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
বসতভিটা উদ্ধারে অন্ধদের বিক্ষোভ
যমুনা গ্রুপের ‘দখল’ থেকে নিজেদের বসতভিটা উদ্ধারে সমাজের পিছিয়ে পড়া এই জনগোষ্ঠী আবারো প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠেছে। সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ ও মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক,সাবেক এমপি-মন্ত্রীরাও জড়িত
পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভকে ঘিরে অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এতে জড়িত বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর গাজীপুরে ফের শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ
নুন্যতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চতুর্থ দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় তারা অর্ধশতাধিক যানবাহন ও দোকানপাট ভাঙচুর করেন। পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা শ্রমিকদের ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ার ১৭৭ পোশাক কারখানায় ছুটি
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে সাভার ও আশুলিয়ার অন্তত ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকেরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকটি স্থানে সড়কে অবস্থান নেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।
শ্রমিক বিক্ষোভে গাজীপুর-সাভারের ৮০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ কয়েকটি দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে গাজীপুর ও সাভারের অন্তত ৮০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে বন্ধ মেট্রোরেলের ৫ স্টেশন
ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেলের পাঁচটি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর-১০ এলাকায় সংঘর্ষের পর মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, পল্লবী, শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।














