পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্ঘটনার পর থেকেই কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দেশে ফেরানোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নে সহযোগিতা করে আসছে।
শনিবার সকালে সাতক্ষীরার এস এম আলীমুজ্জামানের মরদেহ ঘোজাডাঙ্গা-ভোমরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়। পরে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ছাড়া কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত এবং একই পরিবারের আফসানা শারমিন, শর্ণশিষ দত্ত ও মো. আকরাম আলীর মরদেহ পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে শনিবার বিকেলে দেশে আনা হয়।
একই সীমান্ত দিয়ে ঢাকার আমিনবাজারের নিহত বাবু আহমেদের মরদেহও দেশে আনা হয়েছে।
কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ সংরক্ষণ, পরিবহন এবং দেশে ফেরত পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সাতক্ষীরার নিহত রেপতি সরকারের মরদেহ তাঁর পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী শুক্রবার রাতে কলকাতায় সৎকার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের পক্ষ থেকে আর্থিকসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।
কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
একই সঙ্গে নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এস