বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটির উপপরিচালক মো. আল আমিন সংস্থাটির যশোর জেলা কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করেছেন।

দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) যুগ্ম পরিচালক তপন কুমার সাহা, উপপরিচালক মো. আমিন উল্যা, ইন্দ্রজীত চন্দ্র শীল ও মো. আক্তারুজ্জামান তালুকদার, সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আলী হোসেন, গুদাম রক্ষক মো. রেজাউল কবির এবং সাবেক গুদামরক্ষক মো. লিয়াকত আলী ও কামরুল আহসান।

প্রথম মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৪৭ লাখ ৬২ হাজার ৯৮৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আনা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলায় ১ কোটি ৫২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৪১ টাকা ও তৃতীয় মামলায় ৬৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪০৯/১০৯ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রথম মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি ইন্দ্রজীত চন্দ্র শীল ঝিনাইদহে ২০১৮-১৯ উৎপাদন বর্ষে উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী একটি খামারে ৪০ হেক্টর (৯৮.৮ একর) জমিতে ৮০ টন এসএল এই-এইট জাতের হাইব্রিড ধানবীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়। ওই বীজ উৎপাদনের জন্য বীজ, সার, কীটনাশক, শ্রমিক, জিএ-৩ চাষাবাদ ও অন্যান্য খরচ বাবদ মোট ১ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু আসামিরা যোগসাজশে ঝিনাইদহে উৎপাদিত ২২.০৩৫ টন বোরো এসএল এই-এইট এইচ জাতের বীজ ধান, ৯৩৬৮ কেজি কেজি বারি ৩০ জাতের ধানবীজ আত্মসাৎ করেছেন।

দ্বিতীয় মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা ঝিনাইদহে উৎপাদিত ৭৫.০৭৫ টন বোরো এসএল এই-এইট এইচ জাতের বীজ ধান, ৪.০৬৯ টন ব্রি ধান ২৮ জাতের ধানবীজ ও ২৬২৫ কেজি বারি ৩০ জাতের ধানবীজ আত্মসাৎ করেছেন।

আর তৃতীয় মামলার এজহারে বলা হয়, আসামিরা চুয়াডাঙ্গায় উৎপাদিত ৩২.১১০মেট্রিক টন বোরো এসএল এই-এইট এইচ জাতের বীজ ধান ৯.৮২৫ কেজি বারি ৩০ জাতের বীজ আত্মসাৎ করেছেন।

এমবি