এইচআরএসএসের মতে, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তবে এ দায়িত্ব পালন করতে হবে আইনসম্মত প্রক্রিয়া, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিচার বিভাগের কর্তৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। কোনো ব্যক্তি অপরাধে অভিযুক্ত হলেই তাঁর জীবন ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার খর্ব করা যায় না।
সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষিত হয়েছে। একইভাবে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেও জীবনের অধিকার ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। তাই ‘ক্রসফায়ার’ কোনোভাবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না।
আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে সরকারের কাছে স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ব্যাখ্যা দাবি করেছে এইচআরএসএস। সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদনযোগ্য মনে করে কি না, নাকি এটি আইজিপির ব্যক্তিগত বক্তব্য—তা অবিলম্বে পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
পাশাপাশি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থেকে বিরত রাখার বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও প্রত্যাশা করেছে এইচআরএসএস।
সংগঠনটির বক্তব্য, অপরাধ দমনে রাষ্ট্রের শক্তি প্রয়োগের বৈধতা নির্ভর করে আইনের প্রতি আনুগত্যের ওপর, বিচারবহির্ভূত পদ্ধতির ওপর নয়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অপরাধের বিচার আদালতেই হতে হবে। রাষ্ট্রীয় অনুমোদনেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনো সুযোগ থাকতে পারে না।
এস
















