রোববার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট আছে, এটা সত্য। এটি দেশের সংকট। শুধু সরকার, দল বা গোষ্ঠীর সংকট নয়।’
সংকট সমাধানে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে শিশির মনির বলেন, ‘এই সংকট নানা কারণে হতে পারে। সবাইকে নিয়ে বসুন। সবাই সমাধান চায়। ইগো দেখানোর কিছু নেই।’
তার এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে মানুষের ভোগান্তি এবং সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে।
এর আগে শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত সমাধানে বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সংকট সমাধানের কোনো পরিকল্পনা বিরোধী দলগুলোর কাছে থাকলে তা সরকারকে দিতে পারে। প্রয়োজন মনে হলে সরকার সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করবে।
আগামী ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলগুলোকে সংসদে তাদের পরিকল্পনা উপস্থাপনের আহ্বানও জানান।
শনিবার ঢাকা-১৭ আসনে এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে মানুষের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার পর গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। পরে কারিগরি ত্রুটি মেরামত করা হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস সংকট অনেকটা কমে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ পরিস্থিতিতে শিশির মনিরের বক্তব্যে রাজনৈতিক বিরোধের বাইরে গিয়ে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তার মতে, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ না করে সরকার, বিরোধী দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একসঙ্গে বসে সংকটের কার্যকর সমাধান খুঁজতে হবে।
এস