সংবাদ সম্মেলনে বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ আজ বুধবার বলেছেন, ‘মেয়েদের কোচিং স্টাফরা এভাবেই কাজ করে। বিগত দিনে পল স্মলি, ছোটন ভাইরা যখন ছিলেন, তখন তারা বয়সভিত্তিক ও সিনিয়র লেভেলে একসঙ্গে কাজ করেছেন। এটাতে আমরা অভ্যস্ত এবং আমার মনে হয় এটাই ভালো। কারণ বয়সভিত্তিক দল আরেকজনের কাছে ছেড়ে দিলে, তখন মনোযোগ ঠিক থাকবে না। সেটা আমরা করতে চাই না। আমার মনে হয় না সিনিয়রদের কোনও সমস্যা হবে।’

এরপরই ব্যাখ্যা দিলেন এভাবে, ‘যখন সিনিয়রদের কোনও ম্যাচ, তখন পিটার যাবে, অনূর্ধ-১৭ তেও। একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন অনুশীলনের নকশা কিন্তু পিটারেরই করা। আমাদের যে স্থানীয় কোচের কোনও ভূমিকা নেই, সে শুধু প্রয়োগ করে। কিন্তু কোরিওগ্রাফিটা থাকে পিটারের।’

একাধিক কোচ থাকলে সমস্যা হতে পারে। সেই ইঙ্গিত দিয়ে কিরণ বলেছেন, ‘মাথার ওপর যে বটগাছ থাকে, সে যেভাবে ছায়াটা দেয় সেটাই ভালো। এখানে দুই তিনটা গাছ থাকলে সমস্যা। তার ছায়াতেই বাকিরা কাজ করবে। তখন একটা শৃঙ্খলা থাকে ও ট্র্যাকিংয়ে সুবিধা হবে। আমাদের এটায় কোনও সমস্যা নেই।’

তিনি আরও বললেন, ‘পিটার ধরুন অনূর্ধ্ব-১৭ তে ভুটান যাবে। সে সময় সিনিয়ররা ঢাকায় অনুশীলন করবে। সেই নকশাটা কিন্তু পিটারের করা। কীভাবে অনুশীলন হবে, সেটা বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় কোচ।’

বাটলার অবশ্য এনিয়ে বলেছেন, ‘একটু চ্যালেঞ্জিং। তবে আমি কাজ পছন্দ করি। সিনিয়র দলের সাত জন খেলোয়াড় অনূর্ধ্ব-২০ দলে রয়েছে।’