সিএনএনের সঙ্গে মালালার একটি সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি দিয়ে ডন জানায়, সোয়াতে নিজের স্কুল-জীবনে খেলায় মেয়েদের অংশ নেওয়ার সীমিত সুযোগ তাকে পীড়িত করত।

তিনি বলেন, ‘স্কুলে দেখেছি টিফিনের সময় ছেলেরা মাঠে যেত ক্রিকেট খেলতে। আর মেয়েরা ক্লাসে বসে থাকত।’ মালালা যোগ করেন, ‘তখনই বুঝতে পারি যে, ক্রীড়ায় মেয়েদের সুযোগ পাওয়াটা সহজ নয়।’

তার অভিমত, মেয়েদের খেলায় পৃষ্ঠপোষকতার অভাব। এতে তাদের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। তাই স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে মেয়েদের খেলায় এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করতে এই খাতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের নোবেলজয়ী সমাজকর্মী। মালালা মেয়েদের ক্রীড়ামনস্ক করে তুলতে অন্যদেরও এই খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

এনএইচ