। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের দরকার ছিলো ভালো শুরুর।

আর সেই কাজটা চট্টগ্রামের জন্য সহজ করে দেন খুলনার বলার ওশান থমাস। একের পর এক নো আর ওয়াইডে এক বলে দিয়েছেন ১৫ রান। সব মিলিয়ে তিনটি ওয়াইড, তিনটি ‘নো’ বল আর ছয়টি বৈধ ডেলিভারি মিলিয়ে ওভার শেষ হয় ১২ বলে। রান আসে ১৮। সঙ্গে একটি উইকেট। তার এমন বোলিং ফিগারে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক বলে সবচেয়ে বেশি রানের নতুন বিশ্বরেকর্ডও দেখল বিপিএল।

চট্টগ্রামের ইনিংসের প্রথম বলে নাঈম ইসলাম আউট ছিলেন। কিন্তু নো হওয়ায় বেঁচে যান। তারপরই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক বলে সবচেয়ে বেশি রানের নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেললেন। প্রথম বল নো। পরেরটি ডট। তারপরই নো বলে ছক্কা হাঁকালেন নাঈম। মানে ৭ রান। পরের দুটি ওয়াইড আরও দুই রান। এরপরেরটি নো বলে বাউন্ডারি। মানে ৫ রান। সব মিলিয়ে ১৫!

প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে এক বলে ১৩ রান তুলে এর আগে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। ২০২৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারতের এ ওপেনার ৭ রান নেন। তিনি পান নো-বল থেকে। ১টি ছক্কায়। এবার ঢাকার মাঠে সেই রেকর্ড পেছনে ফেলে দিলেন নাঈম! তিনি করেন ১০ করেন। বাকিটা নো আর ওয়াইড থেকে আসে।

এদিকে সব ফরম্যাট মিলিয়ে ১ বলে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার এক ঘরোয়া ক্রিকেট ম্যাচে। গাছে বল আটকে যাওয়ার ১ বলে ২৮৬ রান ওঠে। ১৮৬৫ সালে ইংল্যান্ডের পল-মল গ্যাজেট ম্যাগাজিন জানায় এই তথ্য।

এইচআর