দলের এমন রান বন্যায় সামিল হতে পারেননি জো রুট। ফিফটির দেখাও পাননি তিনি। তবে তিনি বড় দুটো রেকর্ডে নিজের নাম লিখিয়ে ফেলেছেন। রেকর্ড দুটো আবার স্ববিরোধীও। টেস্টে দ্রুতগতির ১৩০০০ রান আর ধীরগতির ১৩০০০ রান দুটো রেকর্ডই এখন তার দখলে।

টেস্টের প্রথম দিনে রুট করেন ৩৪ রান। টেস্টটা তিনি শুরু করেছিলেন ১২৯৭২ রান নিয়ে। ইনিংসের ২৮তম রানটি নিতেই তিনি ছুঁয়ে ফেলেন ১৩০০০ রানের মাইলফলক। ইনিংসের ৮০তম ওভারে ভিক্টর নুয়াচির বলে সিঙ্গেল নিয়ে এটি ছুঁয়ে ফেলেন রুট। ইংল্যান্ডের প্রথম এবং টেস্ট ক্রিকেটে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে ১৩ হাজার রানের রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

ম্যাচের দিক থেকে দ্রুততম ১৩০০০ রানের রেকর্ড এটি। এই রান করতে রুট খেলেছেন ১৫৩টি ম্যাচ। এর আগে রেকর্ডটি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকান কিংবদন্তি জ্যাক ক্যালিসের। তিনি ১৫৯ ম্যাচে গড়েছিলেন রেকর্ডটি। এই মাইলফলক ছুঁতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলতে হয়েছে শচীন টেন্ডুলকারকে, তিনি ১৬৩ ম্যাচে এই রেকর্ড গড়েছিলেন।

তবে অন্য দিক থেকে এই তালিকায় ‘দ্রুততম’ ব্যাটারের নাম টেন্ডুলকারের, আর সবচেয়ে ‘ধীরগতির’ ব্যাটারটি হচ্ছেন রুট। সেটা ইনিংসের দিক থেকে। এই মাইলফলক ছুঁতে রুট খেলেছেন ২৭৯টি ইনিংস। এর আগে ২৭৭ ইনিংসে এই মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। তবে দ্রুততম ব্যাটারের সঙ্গে রুটের পার্থক্যটা সামান্যই। ১৩ হাজার রান করতে ২৬৬ ইনিংস খেলতে হয়েছিল ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে।

২০১০ সালে বাংলাদশের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে সেঞ্চুরি করে রেকর্ডটা প্রথম ব্যাটার হিসেবে ১৩০০০ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন শচীন। এরপর একে একে রাহুল দ্রাবিড়, রিকি পন্টিং ও জ্যাক ক্যালিস এই ক্লাবে যোগ দেন। এতে সবশেষ খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখালেন রুট।

রুটের সামনে এখন শচীনের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভাঙার সুযোগও এসে দাঁড়িয়েছে। রুটের বর্তমান রান হচ্ছে ১৩০০৬। শচীন তার ক্যারিয়ার শেষ করেছিলেন ১৫৯২১ রান নিয়ে। শচীনের এই রেকর্ডটা নিজের করে নিতে আর ২৯১৫ রান চাই রুটের।

এনএইচ