চিটফ্যান্ড প্রতারণায় গুজরাট সিআইডির তরফে পাঠানো হয়েছে সমন। তবে শুভমন গিল একা নন, মোহিত শর্মা, সাঈ সুদর্শন ও রাহুল তেওয়াটিয়ারও নাম জড়িয়েছে এই চিটফান্ড প্রতারণার সঙ্গে। ভারতের সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজেড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস নামের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বড় অঙ্কের মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের টাকা সংগ্রহ করেছিল। পরে জানা যায়, এটি একটি পনজি স্কিম চালাচ্ছিল। গিল বিজেড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসে ১ কোটি ৯৫ লাখ রুপি বিনিয়োগ করেছিলেন। সুদর্শন, মোহিত এবং তেওয়াতিয়ার বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ থেকে ১ কোটি রুপির মধ্যে।

প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংকের তুলনায় বেশি সুদ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ জনগণকে আকৃষ্ট করেছিল। তবে বিনিয়োগকারীরা বুঝতে পারেন যে, তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এরপর তারা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।

এক রিপোর্ট অনুযায়ী সোমবারই বিভিন্ন জায়গায় রেড করে গুজরাট সিআইডি। সেই রেডে জ্বালার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন নথি সিআইডি আধিকারিকরা বাজেয়াপ্ত করে এবং সেইগুলি খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষ এক দল গঠন করা হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তি পেতে হতে পারে। প্রসঙ্গত, সিআইডি আধিকারিকরা প্রথমে এই চিটফান্ডে ছয় হাজার কোটি টাকা হেরফেরের কথা জানিয়েছিলেন।

তবে পরবর্তীতে সেই অর্থের পরিমাণ কমে গিয়ে ৪৫০ কোটিতে এসে দাঁড়ায়। তবে তদন্ত এগোলে এই অর্থের পরিমাণও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মাঠের বাইরে ঝামেলায় জড়িয়েছেন গিল, তবে সিডনিতে সব ঠিকঠাক থাকলে ভারতীয় একাদশে প্রত্যাবর্তন ঘটাতে পারেন শুভমন গিল এবং সেটা সম্ভবত রোহিত শর্মার স্থানেই। অনেকেই রোহিতের একাদশে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। বোর্ডার গাভাস্কার ট্রফিতে তিন টেস্টে মাত্র ৩১ রান করেছেন রোহিত। অধিনায়ক হিসাবে মাঠে তাঁর শরীরী ভাষা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। যদিও সাংবাদিক সম্মেলনে কোচ গম্ভীর রোহিতের খেলা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি। শুধু জানান, আকাশ দীপ চোটের কারণে খেলতে পারবেন না।

এইচআর