এর আগে শুক্রবার মেসির একমাত্র ফ্রি-কিক গোলে ইকুয়েডরকে হারায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধেও তাদের প্রায় রুখে দিচ্ছিল ইকুয়েডর। ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শুরুতেই ঘরের মাঠে খেলতে নেমে হঠাৎই যেন ছন্দপতন আর্জেন্টিনার। সতীর্থদের বারবার উজ্জ্বীবিত করছিলেন মেসি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের ফ্রি-কিক থেকেই দারুণ এক গোলে ডেডলক ভাঙে আকাশী-সাদারা। আগামী মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ২টায় বাছাইয়ের আরেক ম্যাচে মেসির দল বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে।
অধিনায়ককে ছাড়াই ঘরের মাঠ ডিআরভি পিএনকে স্টেডিয়ামে নেমেছিল মায়ামি। কানসাস সিটির বিপক্ষে তারা শুরুতে অবশ্য পিছিয়ে পড়েছিল। ম্যাচের ৯ মিনিটে গোল করে স্বাগতিকদের স্তব্ধ করে দেন ড্যানিয়েল সালোই। অবশ্য এরপর ম্যাচে ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি মায়ামি। ২৫ মিনিটে দলকে পেনাল্টি থেকে সমতায় ফেরান লিওনার্দো কাম্পানা। আগের ম্যাচেও মেসির অ্যাসিস্টে ইকুয়েডরের এই ফরোয়ার্ড জয়সূচক গোল করেছিলেন।
এরপর বিরতিতে যাওয়ার আগে লিডও পেয়ে যায় ডেভিড বেকহামের দল। এবারও দলকে এগিয়ে দেন কাম্পানা। ফলে ২-১ ব্যবধান নিয়ে মায়ামি বিরতিতে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিটে মায়ামিকে জয়সূচক তৃতীয় গোল এনে দেন আর্জেন্টাইন ফাকুন্দো ফারিয়াস। তবে প্রতিপক্ষের হয়ে শেষদিকে ব্যবধান কমান অ্যালান পুলিডো। ৭৮ মিনিটে এই ফরোয়ার্ডের গোলের পর আর কোনো গোল না হলে মেসিকে ছাড়া প্রথমবার খেলতে নেমে জয় পায় মায়ামি। যদিও এমএলএসের পয়েন্ট তালিকায় এখনও ১৪ নম্বরে আছে তারা। তবে এই জয় মায়ামির প্লে-অফে জায়গা করে নেওয়ার পথ কিছুটা সুগম করলো।
এমআই





