এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পীযূষ কুমার চৌধুরী জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে একটি কমিউনিটি সেন্টারে বাল্যবিয়ের খবর পান তিনি। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে মুঠোফোনে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন। তখন তিনি বর-কনের অভিভাবককে বিষয়টি জানালে কমিউনিটি সেন্টার ছেড়ে পালিয়ে যান বর-কনেসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।
তিনি আরও জানান, পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন। দুই পরিবারের লোকজন স্থানীয় চেয়ারম্যানকে মুচলেকা দিয়ে কমিউনিটি সেন্টার ত্যাগ করেন।
ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সালেহ জহুর জানান, মেয়ের বয়স কম হয় আমরা বিয়েটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে বর-কনের পরিবার ক্ষমা চেয়ে চলে যায়। এক বছর পর মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার দায়িত্বেই এই বিয়ে সম্পন্ন হবে বলেও জানান তিনি।
এনএইচ





