সিলেটের উল্লেখযোগ্য পর্যটনকেন্দ্রগুলো হচ্ছে- গোয়াইনঘাটের জাফলং, রাতারগুল, বিছানাকান্দি ও সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা, কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর এবং জৈন্তাপুরের লালাখাল ও ডিবির হাওর।

জেলা প্রশাসন কর্তৃক দেওয়া শর্তগুলো হলো- সকল নৌকায় লাইফ জ্যাকেট থাকতে হবে এবং লাইফ জ্যাকেট পরিয়ে ঘাট থেকে নৌকা ছাড়তে হবে, পর্যটকরা কিছুতেই পানিতে নামতে পারবেন না বা পানিতে নেমে সাঁতার কাটতে পারবেন না, ভরা বর্ষা মৌসুমে পর্যটকরা শিশুদের নিয়ে যাতে না আসেন সে বিষয়ে তাদের নিরুৎসাহিত করা হলো, পর্যটকরা নৌকায় উঠে হইহুল্লোড় করবেন না, সুশৃঙ্খলভাবে বসে থাকবেন, মাঝিরা পর্যটকদের সঙ্গে সর্বদা ভালো আচরণ করবেন ও আবহাওয়া পরিস্থিতি অবনতি হলে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে বন্ধ করা পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নৌকায় পর্যটকদের লাইফ জ্যাকেট থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ মে অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পিয়াইন ও ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এমএইচ