দীর্ঘ সাত বছরের রক্তাক্ত অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটাতে বৃহস্পতিবার আলোচনায় বসেছে পাকিস্তান সরকার ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে অনেক প্রতীক্ষার পর আলোচনার টেবিলে যেতে সম্মত হয়েছে দু'পক্ষ। খবর ডন অনলাইনের।
বৃহস্পতিবার রাজধানী ইসলামাবাদের খাইবার পাখতুনখুয়া হাউজে দু'পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। তবে, আজকের এই আলোচনাই মূল আলোচনা নয়। এই আলোচনা থেকে চূড়ান্ত শান্তির পথ তৈরি করতে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হবে। তবে, এই আলোচনা আদৌ ফলপ্রসূ হবে কি না তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বেশ হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইসলামাবাদের বিখ্যাত লাল মসজিদের প্রধান খতিব ও তিন সদস্যবিশিষ্ট তালেবানদের মধ্যস্থতা কমিটির সদস্য মাওলানা আবদুল আজিজ ডন অনলাইনকে জানিয়েছেন, দু'পক্ষ মিলে প্রথমে শান্তি আলোচনার বিষয়বস্তুগুলো নির্ধারণ করবেন।
তালেবানদের তিন সদস্যের কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- মাওলানা সামিউল হক ও প্রফেসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
অন্যদিকে, সরকার পক্ষের চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের বিশেষ সহকারী ইরফান সিদ্দিকি, আফগানিস্তানে এক সময় হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করা রুস্তম শাহ মোহমান্দ। তিনি একই সঙ্গে দু'পক্ষের সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন। ফলে তাকে বাদ দিলে পাকিস্তান সরকারের পক্ষেও আলোচনায় তিনজন সদস্যই রয়েছেন। অপর দুই সদস্য হলেন- পেশোয়ারের সাংবাদিক রাহিমুল্লাহ ইউসুফজাঈ এবং মেজর (অব.) আমির খান।
এর আগে গত মঙ্গলবার সরকার পক্ষীয় কমিটি তালেবানদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানান। তাদের অভিযোগ, তালেবানরা তাদের কমিটি গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
টিটিপি তাদের কমিটিতে তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রধান ইমরান খান ও জামায়াত উলামা-ই-ইসলাম-এর প্রাক্তন আইনপ্রণেতা মুফতি কিফায়েতুল্লাহকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা তালেবানের প্রতিনিধিত্ব করতে অস্বীকৃতি জানান।
এরপর মঙ্গলবারই টিটিপি'র মুখপাত্র শহীদুল্লাহ শহীদ জানান, ইমরান খান ও কিফায়েতুল্লাহর বদলে মাওলানা সামিউল হক ও তার দুই সহকর্মী তালেবানের পক্ষে মধ্যস্থাকারী হতে রাজি হন। সূত্র: ডন অনলাইন
[b]ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ[/b]
রক্তাক্ত অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটাতে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা শুরু
দীর্ঘ সাত বছরের রক্তাক্ত অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটাতে বৃহস্পতিবার আলোচনায় বসেছে পাকিস্তান সরকার ও তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে অনেক প্রতীক্ষার পর আলোচনার টেবিলে যেতে সম্মত হয়েছে দু'পক্ষ। খবর ডন অনলাইনের।
পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সঙ্গে ইরানের বৈঠক শুরু
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ জোটের তিন সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিয়েছেন।
সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত প্রশমিত করা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে ‘মক্কা জোটের’ তিন সদস্য- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান।
ক্ষুধা মোকাবিলায় ভারত পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণকে বাংলাদেশের এই অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিপরীতে, খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, শিশুদের অপুষ্টি, সীমিত কর্মসংস্থান এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ পাকিস্তানের ক্ষুধা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে চুক্তি সই করেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। দেশগুলোর মধ্যে সামরিক মহড়া, প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার পথ আরও সুগম করাই এ চুক্তির লক্ষ্য।
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি: মার্কো রুবিও
মতপার্থক্য থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা ওয়াশিংটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
















