[b]কোসাকদের আগমন[/b]
রাশিয়ার ক্রাসনোডার থেকে এসেছে ২৫০ জনের মতো কুবান কোসাক৷ সামরিক বাহিনীর পোশাক পরেননি তাঁরা৷ সেভাস্টোপোলের রুশপন্থি কর্তৃপক্ষ কোসাকদের শপথ পাঠ করিয়েছে৷ স্বেচ্ছাসেবী কোসাকরা জানিয়েছে, ক্রাইমিয়াবাসীদের রক্ষা করার জন্য তারা স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে কাজ করবে৷[b]
কারো জন্য হুমকি নয়[/b]
রবিবারের দৃশ্য৷ কুবান কোসাকরা একটু আগে সেভাস্টোপোলে এসেছে৷ ঘোড়ার চাবুক হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছে তারা৷ সেনাধ্যক্ষ জানিয়েছেন, কোসাকরা সম্প্রতি ক্রাইমিয়ার দায়িত্ব নেয়া রুশপন্থি কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণেই এসেছে৷
[b]যৌথ টহল[/b]
কুবান কোসাকরা সেভাস্টোপোলের পুলিশের সঙ্গে টহলে অংশ নিচ্ছে৷ মাথায় উলের টুপি পরে রবি বার থেকে রাস্তায় টহল দিচ্ছে কোসাকরা৷ ২০০৫ সালে এথনিক সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী এবং শক্তিশালী সামরিক শক্তি হিসেবে কোসাকদের স্বীকৃতি দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন৷
[b]কঠিন সময়ে নিরাপত্তা[/b]
রাশিয়া এবং ক্রাইমিয়ার টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন কোসাকদের নেতা কর্নেল সের্গেই সাভোনিন ইউরিয়েভিচ৷ তিনি বলেন, কোসাকরা সেভাস্টোপোলের মানুষদের রক্ষা করার জন্য এসেছে
[b]‘স্বায়ত্তশাসন, বিচ্ছিন্নতাবাদ নয়’[/b]
ক্রাইমিয়ায় অনেকের হাতেই দেখা যায় ক্রাইমিয়া এবং রাশিয়ার পতাকা৷ এর অর্থ এই নয় যে, ক্রাইমিয়া ইউক্রেন থেকে আলাদা হয়ে গেছে৷ সেভাস্টোপোলের এই তরুণ-তরুণীরা জানালেন, তাঁরা ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চাননা, কেননা ইউক্রেনকে তাঁরা ভ্রাতৃপ্রতীম রাষ্ট্র মনে করেন৷ তাঁদের দাবি একটাই – স্বায়ত্তশাসন এবং এথনিক রুশ হিসেবে প্রাপ্য মর্যাদা৷
[b]ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?[/b]
এই প্রবীণ এসেছেন কোসাকদের সমর্থন জানাতে৷ রাশিয়ার প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে৷ পরনে রুশ সেনাবাহিনীর মতো কমলা আর কালো রংয়ের পোশাক৷ তিনি নিজেও সোভিয়েত ইউনিয়নের রেড আর্মির সাবেক কর্মকর্তা৷
[b]রাস্তায় তল্লাশি[/b]
সিমফারোপোল এবং সেভাস্টোপোলের মাঝের হাইওয়েতে গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে রুশপন্থি বেসামরিক বাহিনীর সদস্যরা৷
[b]ব্যবসার জন্য খারাপ সময়?[/b]
লিলিয়া ভজনুক একজন স্যুভেনির বিক্রেতা৷ রাবারের তৈরি মুখোশগুলোর মধ্যে পুটিনের চেহারার মুখোশটার এখন দারুণ কাটতি৷ তবু খুব চিন্তায় আছেন লিলিয়া৷ চলমান সংকট ব্যবসার বড় রকমের ক্ষতি করবে বলে আশঙ্কা তাঁর৷
[b]হৃদয়-মন জয় করেছে তাঁরা[/b]
সেভাস্টোপোলে গেলেই ব্ল্যাক সি ফ্লিট অঁসম্বল-এর কনসার্ট দেখতে পাবেন৷ নাচ-গানের এই স্থানীয় সংগঠনটি তাদের পরিবেশনা দিয়ে সবার মন জয় করেছে৷ রুশ লোকসংগীতে সাগরের প্রশংসা করে যেসব গান রচনা করা হয়েছে মূলত সেগুলোই পরিবেশন করে ব্ল্যাক সি ফ্লিট অঁসম্বল৷ রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী ইয়াব্লোচকো বা ‘ছোট্ট আপেল’ নাচটা সত্যই মনোমুগ্ধকর৷
[b]চাই শুধু স্বায়ত্তশাসন[/b]
সেভাস্টোপোলের অধিকাংশ মানুষই রুশ জাতীয়তাবাদের সমর্থক৷ ইউক্রেনীয়দের তারা অবিশ্বাস করে, মনে করে ইউক্রেনীয়রা চরম ডানপন্থি৷ সেভাস্টোপোলের মানুষ মনে করে রুশ বাহিনীর উপস্থিতি এ অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন এবং নিরাপত্তার রক্ষাকবচ৷সূত্র: ডিডব্লিউ
[b]ঢাকা,১০ মার্চ (টাইম নিউজ বিডি.কম)// টিআই[/b]
কী চলছে ইউক্রেনের ক্রাইমিয়াতে?
রাশিয়ার ক্রাসনোডার থেকে এসেছে ২৫০ জনের মতো কুবান কোসাক৷ সামরিক বাহিনীর পোশাক পরেননি তাঁরা৷ সেভাস্টোপোলের রুশপন্থি কর্তৃপক্ষ কোসাকদের শপথ পাঠ করিয়েছে৷ স্বেচ্ছাসেবী কোসাকরা জানিয়েছে, ক্রাইমিয়াবাসীদের রক্ষা করার জন্য তারা স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে কাজ করবে৷
শান্তি আলোচনা হলেও ইউক্রেনে হামলা চলবে : রাশিয়া
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু হলেও সামরিক অভিযান বন্ধ বা সীমিত করা হবে না বলে জানিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (২৬ অক্টোবর) মস্কোয় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
ইউক্রেন থেকে তরুণদের দেশে বেঁচে ফেরার লোমহর্ষক বিবরণ
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে তরুণদের রাশিয়ায় নিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের অবস্থান শনাক্ত করতে এসব বাংলাদেশিকে ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশের পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট। এভাবে রাশিয়ায় পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেশে ফিরেছেন ঝিনাইদহের তরুণ রাজন হোসেন।
ইউক্রেনের দুই শহরে রুশ হামলায় নিহত ৬
ইউক্রেনের দুটি শহরে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে একটি মুদি দোকানে হামলায় তিনজন নিহত ও আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে শিশুসহ নিহত ২৮
ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এসব হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে।
ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে ইউক্রেনকে ১৩৮ কোটি ডলার দিল ইইউ
ইউক্রেনের সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য ১২৪ কোটি ইউরো বা প্রায় ১৩৮ কোটি ডলার অর্থ ছাড় করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহে এ অর্থ ব্যয় করবে ইউক্রেন।
















