আগামী বছরের অক্টোবরে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সাথে সাক্ষাৎ করেন লিখাচেভ। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

রোসাটম মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন যে, বাংলাদেশে পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছালে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে সেটার উদযাপন করতে চান তারা।

রূপপুর প্রকল্পের জন্য তারা বাংলাদেশিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন উল্লেখ করে লিখাচেভ বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করতে আগ্রহী।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিফও করেন লিখাচেভ।

কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যেও পুরোদমে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখার জন্য রাশিয়া, বিশেষ করে রোসাটম ডিজিকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহায়তার জন্য তিনি রাশিয়ার প্রশংসা করেন। সূত্র: বাসস।

এন