ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা আবারো আগামী ডিসেম্বরে আসার কথা জানিয়েছেন একটি ইন্টারভিউতে, এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার প্রত্যর্পণের চেষ্টা করছে কি করছে না, সেটা আপনি কীভাবে জানেন? অবশ্যই চেষ্টা করছে, আমি বলছি।

দ্বিতীয়ত হলো- একজন ফাঁসির আসামি হলেও সে যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়, বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশে এসে সারেন্ডার করতে চায়, সেখানে তার সারেন্ডারের আগেই অ্যারেস্ট হবেন। কিন্তু তার সেই অধিকার তো আছে।

‘এলে আসবেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সেখানে তো আমাদের... আইনের ব্যত্যয় করে আমরা কিছু করবো না। আইন যেভাবে আমাদের অথরিটি দিয়েছে, আমরা সে অথরিটি এক্সারসাইজ করব।’ বলেন আইনমন্ত্রী।

ওনার কাছে পাসপোর্ট নেই, উনি এলে কীভাবে আসবেন? জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, উনি কীভাবে আসবেন এটা ওনার সমস্যা। এটা আমার সমস্যা না।

আমাদের... এটা হলো আমার চৌহদ্দির মধ্যে যখন ঢুকবেন, সেই চৌহদ্দিতে ঢুকলে আইন যেটা আমাকে ক্ষমতা দিয়েছে, আমি আইনের প্রয়োগটা করবো। দ্যাটস সিম্পল এজ ইট ইজ।

আপনি বলেছিলেন যে, সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের আইডিয়া পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তো এখন কি সে পর্যায়ে আছে? নাকি স্পেশাল অধিবেশন ডাকতে হবে?

এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, এটা এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো আলোচনায় আসেনি। আমি বলেছি সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। আমার সংবিধানে আছে, ১২৩-এর ২ অনুচ্ছেদে, রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

এনএইচ