আজ রোববার(১৬ এপ্রিল) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জুট প্রোডাক্টস বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল গঠন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন। ট্যারিফ কমিশন থেকে ক্যালকুলেশন করে দেখা গেছে, প্রতি কেজি চিনিতে তিন টাকার বেশি দাম কমানো সম্ভব। সে হিসেবে দাম কমানো হয়েছিল।’

গত ৬ এপ্রিল চিনির দাম কেজিতে ৩ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেই ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০৪ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনি ১০৯ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। কিন্তু বাজারের চিত্র ঠিক তার বিপরীত। সরকার কমানোর ঘোষণা দিলেও ব্যবসায়ীরা উল্টো বাড়িয়ে দিয়েছেন চিনির দাম।

দেশের চিনির অন্যতম বড় আমদানিকারক চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপ। সরকার কমানোর পরেও কেন তারা চিনির দাম বাড়াল, জানতে চাইলে এস আলম গ্রুপের সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক কাজী সালাউদ্দিন খান বলেন, ‘সরকার দাম কমালেই কী আর হয়। বিশ্ববাজারে প্রতি টন চিনির দাম ৫৬০-৫৮০ ডলার হয়েছে। সবার হাতে এখন মোবাইল ফোন রয়েছে। আগে মানুষ অন্ধ ছিল। এখন বিশ্ববাজার মানুষের হাতের মুঠোয়।’

এবি