বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি আয়োজিত ‘দ্য ফুড প্রাইস চেইন: মার্কেটস, মার্জিনস অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, কৃষি অর্থনীতিবিদ এম এ সাত্তার মণ্ডলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, গত কয়েক বছর ধরে মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং চার বছর ধরে এটি দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি মানুষের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করছে। তবে খাদ্যের দাম বৃদ্ধির জন্য একক কোনো কারণকে দায়ী করা যায় না।
তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের গবেষণায় দেখা গেছে, উৎপাদন, বিপণন, বাজারজাতকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাজারের অদক্ষতা, মজুতদারি, সরবরাহ ঘাটতি এবং প্রতিযোগিতার অভাবসহ বিভিন্ন কারণ একযোগে খাদ্যের দাম বাড়াতে ভূমিকা রাখে। তাই এই সমস্যার সমাধানেও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে দামের বড় ব্যবধানের প্রসঙ্গে ফাহমিদা খাতুন বলেন, সরবরাহ শৃঙ্খলে ফড়িয়া, বেপারি, আড়তদারসহ একাধিক অংশীজন থাকায় প্রতিটি ধাপে পণ্যের মূল্য পরিবর্তিত হয়। ফলে কৃষক যে দামে পণ্য বিক্রি করেন, ভোক্তাকে তার তুলনায় অনেক বেশি দামে তা কিনতে হয়।
এস