বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে অ্যান্টনি নিজেই চুরির বিষয়টি জানান।

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সেভিয়ার লা কারতুহা স্টেডিয়ামে এফসি পোর্তোর বিপক্ষে ৩-২ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ের রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মাঠে দল জিতলেও বাড়িতে চুরির ঘটনায় তাঁর আনন্দ ম্লান হয়ে যায়।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে অ্যান্টনি লেখেন, একটি দুর্দান্ত ও আনন্দময় রাত শেষ পর্যন্ত ক্ষোভ ও হতাশায় পরিণত হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে শুধু জিনিসপত্র হারানোর বিষয়টি নয়, বরং যেখানে পরিবারের সবচেয়ে নিরাপদ বোধ করার কথা, সেখানেই নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করা।

তিনি আরও লেখেন, পরিবারের সদস্যদের জীবন ও সুস্থতার চেয়ে মূল্যবান কোনো বস্তুগত সম্পদ হতে পারে না।

সাও পাওলোর একটি দরিদ্র এলাকা থেকে উঠে আসা অ্যান্টনি ২০২৫ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে স্পেনের ক্লাব রিয়াল বেতিসে যোগ দেন।

স্পেনে ফুটবলারদের বাড়িতে চুরির ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। এর আগে ২০১৯ ও ২০২২ সালে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ফরোয়ার্ড করিম বেনজিমার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। গত জুলাইয়ে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের জয়ের পর বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামালের বাড়িতেও চুরির চেষ্টা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সংস্থা ইউরোপোলও আগে সতর্ক করেছিল, সংঘবদ্ধ চোরচক্র ফুটবলারদের খেলার সূচি পর্যবেক্ষণ করে তাঁদের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে চুরির পরিকল্পনা করতে পারে।

এস