সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেছেন, জামায়াত-শিবির ও বিএনপির হাতে ইসলামসহ কোন ধর্মই নিরাপদ নয়।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে একটি ভবনে ‘রমজানুল মোবারকের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু বলেন, ধর্ম ও রাজনীতি এক ও অভিন্ন। ধর্ম ও রাজনীতির মধ্যে কোনো ফারাক আছে বলে আমি মনে করি না। সকল ধর্মের মূল কথা হলো শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। রাজনীতির মূল কথাও মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠান করা, সকল অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা।
কিন্তু আজ ধর্মকে ব্যবহার করে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি মানুষকে হত্যা করছে, জ্বালাও-পোড়াওয়ের মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি ধ্বংস করেছে। তাদের হাতে কোনো ধর্মের মানুষই নিরাপদ নয়- বলেন তিনি।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ধর্ম ও রাজনীতির নামে যারা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ও মানুষ হত্যা করেছে আসুন আমরা সবাই মিলে সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে তাদেরকে বাংলাদেশ থেকে নির্মূল করি।
এআই/
জামায়াত-বিএনপির হাতে কোন ধর্মই নিরাপদ নয়: টুকু
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেছেন, জামায়াত-শিবির ও বিএনপির হাতে ইসলামসহ কোন ধর্মই নিরাপদ নয়। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে একটি ভবনে ‘রমজানুল মোবারকের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সব ধর্মের নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান
সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা কাম্য নয়
ধর্ম যার যার, দেশটা সবার এই চেতনাকে ধারণ করে আমাদের সবাইকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী
সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছেন। একইভাবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চান তিনি।
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সবার এবং প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষ ধর্মীয় পরিচয়ের ভেদাভেদ না করে অংশ নিয়েছে। সবার প্রথম পরিচয় মানুষ ও বাংলাদেশি।
ধর্ম নয়, সবার নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের যা প্রাপ্য, তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব।
















