জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখল তিব্বত হলসহ আরও ১০টি হল উদ্ধারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ তিনটি ফটকে তালা দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে প্রধান ফটকের সামনে সমাবেশ করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সমাবেশের কারণে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া কেউ ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারছেন না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সকাল আটটা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সমাবেশ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুইটি (দক্ষিণ ও পশ্চিম) ফটকে তালা লাগিয়ে দেন তারা। সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে পৃথক স্থানে প্রায় ১৮টি টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা। এতে সদরঘাট থেকে গুলিস্তান ও যাত্রাবাড়ী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই সমাবেশ চলবে দুপুর দুইটা পর্যন্ত।
সমাবেশে বলা হয়, আবাসন সমস্যা সমাধান না করেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে চারদলীয় জোট সরকার। আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আট বছর পরও শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারেনি প্রশাসন। তাই বেদখলে থাকা সব হল উদ্ধার ও নতুন হল নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, দাবি আদায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষক সমিতি, বিশ্ববিদ্যালয় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল, বিএনপি-সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল, কর্মকর্তা সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নেতা-কর্মীরা বক্তব্য রাখেন।
[b]ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচ[/b]
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে তালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখল তিব্বত হলসহ আরও ১০টি হল উদ্ধারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ তিনটি ফটকে তালা দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক,সাবেক এমপি-মন্ত্রীরাও জড়িত
পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভকে ঘিরে অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এতে জড়িত বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর গাজীপুরে ফের শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ
নুন্যতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চতুর্থ দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় তারা অর্ধশতাধিক যানবাহন ও দোকানপাট ভাঙচুর করেন। পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা শ্রমিকদের ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ার ১৭৭ পোশাক কারখানায় ছুটি
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে সাভার ও আশুলিয়ার অন্তত ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকেরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে কয়েকটি স্থানে সড়কে অবস্থান নেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।
শ্রমিক বিক্ষোভে গাজীপুর-সাভারের ৮০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ কয়েকটি দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে গাজীপুর ও সাভারের অন্তত ৮০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে বন্ধ মেট্রোরেলের ৫ স্টেশন
ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেলের পাঁচটি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর-১০ এলাকায় সংঘর্ষের পর মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, পল্লবী, শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।















