জাতিসংঘের ১৫টি সংস্থায় যোগ দেয়ার জন্য সংস্থাটির কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষ। জাতিসংঘের কাছ থেকে আরো বেশি স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে জানানো আবেদনপত্রে সই করেছেন স্বশাসন কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মাহমুদ আব্বাস।
অধিকৃত জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ শহরে নিজ সদর দফতরে এক বৈঠকের পর মঙ্গলবার ওই আবেদনপত্রে সই করেন আব্বাস। তিনি বলেন, চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন থেকে শুরু করে জাতিসংঘের ১৫টি সংস্থা ও কনভেনশনের সদস্যপদ লাভের আবেদন জানানোর সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব। এ আবেদন অচিরেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।
২০১৩ সালের জুলাই মাসে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে কথিত শান্তি আলোচনা আবার শুরু হলে তেলআবিবের দেয়া শর্ত মেনে আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভের আবেদন জানানোর বিষয়টি স্থগিত রেখেছিল স্বশাসন কর্তৃপক্ষ। এর বিনিময়ে ১০৪ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছিল তেলআবিব। তবে শর্ত মেনে আরো ২৬ জন বন্দিকে মুক্তি দিতে ব্যর্থ হয় ইসরাইল। তাদেরকে গত মার্চের শেষ নাগাদ মুক্তি দেয়ার কথা ছিল।
ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রধান মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ২৬ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিতে অপারগতা প্রকাশ করার পর আন্তর্জাতিক সমাজের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ওদিকে তেলআবিব বলছে, আব্বাস আগামী ২৯শে এপ্রিলের পরও কথিত শান্তি আলোচনা চালিয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় এসব বন্দিকে মুক্তি দেয়া হয়নি। ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকা অনির্দিষ্টকালের জন্য আপোষ আলোচনা অব্যাহত রেখে ফিলিস্তিনি জাতিকে তাদের হারানো অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়। এ বিষয়টি উপলব্ধি করে গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী হামাসসহ আরো কিছু স্বাধীনতাকামী সংগঠন ইসরাইলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। কিন্তু মাহমুদ আব্বাস কথিত শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি, আইআরআইবি।
[b]ঢাকা, ২ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // টিআই[/b]
জাতিসংঘের ১৫ সংস্থায় যোগ দেয়ার আবেদন জানাল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ
জাতিসংঘের ১৫টি সংস্থায় যোগ দেয়ার জন্য সংস্থাটির কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষ। জাতিসংঘের কাছ থেকে আরো বেশি স্বীকৃতি আদায়ের
সংকটে জাতিসংঘ,সমঝোতার কূটনীতিতে বাংলাদেশের পরীক্ষা
মীর্জা মসিউজ্জামান: বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার নিয়ে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘ ৮১তম বছরে এসে বহুমুখী সংকটের মুখে বিরাজমান। যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক মেরূকরণ, আর্থিক চাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের চ্যালেঞ্জে বিশ্ব সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে যখন নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, তখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ। ফলে এবারের জাতিসংঘ দিবসে আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভূমিকা ও সম্ভাবনা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সংস্কার, মহাসচিব নির্বাচন ও এলডিসি উত্তরণ ঘিরে বাড়ছে কূটনৈতিক গুরুত্ব।
মাহদী আমিন জাতীয় প্রতিযোগিতায় সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাবে সরকার
জাতীয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত সেরা তরুণদের সরকারি অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আগামী বছর থেকে এ উদ্যোগ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাতিসংঘে জাইমার নিয়োগে সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: মাহ্দী আমিন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিয়োগের সঙ্গে সরকারের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, জাইমা রহমান নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে জাতিসংঘে পি-৩ পদে নিয়োগ পেয়েছেন। এ পদের জন্য পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন এবং জাইমা রহমানের পেশাগত প্রোফাইলের সঙ্গে সেটি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে: হুমায়ুন কবির
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তাঁর ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
জাতিসংঘ সফরে তারেক রহমানের পাঁচ দিন: কী পেল বাংলাদেশ
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে এটি ছিল জাতিসংঘে তার প্রথম সফর। এ সময়ে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।
















